দেশে ও বিদেশে স্মার্ট ক্যাম্পাসের সফল বাস্তবায়নে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ আইটি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. আবু সাইদের অবদান অপরিসীম। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশের স্মার্ট ক্যাম্পাস এক্সপার্ট হিসেবে পরিচিত।
প্রফেসর ড. আবু সাইদ ছিলেন প্রথম বাংলাদেশি, যিনি ১৯৯৩ সালে আইটিতে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গমন করেন এবং তখন থেকেই তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ২০০০ সাল থেকে, শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারে নতুন ধারণা আনার জন্য নিরলস কাজ করে চলেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন—“তথ্যপ্রযুক্তি কেবল শিক্ষার একটি মাধ্যম নয়, এটি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নির্মাণের অন্যতম হাতিয়ার। স্মার্ট ক্যাম্পাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনের মধ্যে দক্ষতা ও সংযোগ বাড়ানো সম্ভব।”
স্মার্ট ক্যাম্পাস: আধুনিক শিক্ষার এক নতুন দিগন্ত
স্মার্ট ক্যাম্পাস শুধুমাত্র ইউএমএস (University Management System) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি আরও বিস্তৃত প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত, যার মধ্যে রয়েছে—
✅ ডায়নামিক ওয়েবসাইট
✅ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস
✅ লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট
✅ স্মার্ট উপস্থিতি ও ডিজিটাল ক্লাসরুম
✅ অনলাইন পিয়ার-রিভিউ জার্নাল
✅ হিসাব বিভাগ ও বেতন ব্যবস্থাপনা
✅ লিভ মডিউল ও ইনভেন্টরি সিস্টেম
✅ শক্তিশালী আইটি অবকাঠামো ও সাইবার নিরাপত্তা
✅ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য
এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সমূহ শিক্ষার পরিবেশকে আরও স্মার্ট, গতিশীল ও কার্যকর করে তোলে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ, উন্নত ও ফলপ্রসূ লার্নিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
গ্লোবাল সাফল্যে এক অগ্রদূত
প্রফেসর ড. আবু সাইদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্মার্ট ক্যাম্পাস বাস্তবায়নের পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইটি অবকাঠামো, ক্যাম্পাস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ও ডিজিটাল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি বলেন—“আজকের বিশ্বে ডিজিটাল শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্মার্ট ক্যাম্পাস শিক্ষার গণ্ডি প্রসারিত করে, একে আরও সহজ, কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলে। আমরা প্রযুক্তির সাহায্যে শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে পারি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ভবিষ্যৎ তৈরি করতে পারি।”
নতুন যুগের সূচনা
স্মার্ট ক্যাম্পাস প্রযুক্তির বিস্তৃত ব্যবহারের মাধ্যমে একটি শিক্ষাবিপ্লব আনতে প্রফেসর ড. আবু সাইদ নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শী নেতৃত্ব আগামী দিনে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সকলের!
প্রভাতের পাতা ডেস্ক 














