ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের ৩০-৪০% প্রতিষ্ঠান ভুল আইটি ব্যবস্থাপনায় ও সাইবার ঝুঁকিতে নিমজ্জিত! শুধু ডিগ্রি নয়, দক্ষতাই নির্ধারণ করবে AI যুগের চাকরির ভবিষ্যৎ। সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী গ্রেফতার, কারাগারে প্রেরণ শনির আখড়ায় মশা নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অবহেলা অব্যাহত। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ঢাকায় আরও ২০ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন, বিশ্ব অর্থনীতিতে সংকটের আশঙ্কা মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ ঈদে টানা ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা শাহাদাত বরণ করেছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নবজাতকের যত্নে যা জানা জরুরি
ভুল আইটি ব্যবস্থাপনায় পিছিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসা খাত

বাংলাদেশের ৩০-৪০% প্রতিষ্ঠান ভুল আইটি ব্যবস্থাপনায় ও সাইবার ঝুঁকিতে নিমজ্জিত!

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশ্ব দ্রুত এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশের বহু প্রতিষ্ঠান এখনও আধুনিক আইটি ব্যবস্থাপনায় পিছিয়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কোম্পানি ভুল আইটি অ্যাপ্লিকেশন, টুলস, জনবল ও অবকাঠামো ব্যবহার করছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো একদিকে যেমন কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে, অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় খাতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে।

সম্প্রতি করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী, ব্যাংকিং খাতের প্রায় ৪৫%, উৎপাদন খাতের ৪০% এবং শিক্ষাখাতের ৩৫% প্রতিষ্ঠান সঠিক আইটি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারছে না। ফলে প্রতিটি খাতে বছরে কোটি কোটি টাকা অপ্রয়োজনীয় খরচ হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও পরিকল্পনার অভাবে অনেক প্রতিষ্ঠান আজও ক্ষতির মুখে পড়ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করলেও ভুল সফটওয়্যার, অকার্যকর টুলস এবং অদক্ষ জনবল ব্যবহারের কারণে প্রত্যাশিত ফলাফল পাচ্ছে না। এর প্রভাব পড়ছে সামগ্রিক ব্যবসায়িক উৎপাদনশীলতা, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থানের ওপর।

আন্তর্জাতিক তুলনায় দেখা গেছে, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি বছরে তাদের আইটি খাতে ২০-৩০% বেশি বিনিয়োগ করছে এবং সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে তাদের উৎপাদনশীলতা ও খরচ ব্যবস্থাপনা অনেক বেশি কার্যকর। তুলনামূলকভাবে, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পিছিয়ে রয়েছে, যা তাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম সিনিয়র আইটি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর আবু সাইদ, যিনি ১৯৯৩ সাল থেকে তথ্য প্রযুক্তির সাথে জড়িত, মনে করেন, দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো এখন জরুরি ভিত্তিতে সঠিক আইটি পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনার দিকে নজর দেওয়ার প্রয়োজন। তিনি এ বিষয়ে বিনা খরচে পরামর্শ দিতে প্রস্তুত।

প্রফেসর আবু সাইদ আরও বলেন, সঠিক আইটি নীতিমালা গ্রহণ এবং আধুনিক অবকাঠামো ব্যবহার করলে প্রতিষ্ঠানগুলো অল্প সময়ের মধ্যে খরচ কমানো, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক মানে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ তৈরি করতে পারবে।

একটি বড় উদ্বেগ এখন সাইবার নিরাপত্তা। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই কয়েকটি বড় সাইবার ঘটনার মুখোমুখি হয়েছে, যা দুর্বল আইটি ব্যবস্থাপনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। যেমন, Bangladesh Bank Cyber Heist-এ প্রায় ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি হয়ে যায়, যেখানে নিরাপত্তা দুর্বলতা ও সিস্টেম কনফিগারেশনের ত্রুটি বড় ভূমিকা রেখেছিল।

এছাড়াও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়া, ডেটাবেজ লিক এবং ই-কমার্স ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালে একাধিক প্ল্যাটফর্মে লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনা দেশের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা স্পষ্ট করে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ঘটনার পেছনে অন্যতম বড় কারণ হলো অনেক প্রতিষ্ঠান এখনও সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ জনবল নিয়োগে যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে না। খরচ কমানোর জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান আলাদা সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ না দিয়ে সাধারণ আইটি স্টাফ দিয়েই নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা চালানোর চেষ্টা করছে।

এর ফলে সিস্টেম কনফিগারেশন, ঝুঁকি বিশ্লেষণ, থ্রেট মনিটরিং এবং ডেটা সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে কোনো নিয়মিত সিকিউরিটি অডিট, পেনিট্রেশন টেস্টিং বা রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থা থাকে না, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষ সাইবার সিকিউরিটি জনবল ছাড়া আধুনিক আইটি অবকাঠামো কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান অজান্তেই বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে কাজ করছে।

ভবিষ্যতের প্রভাব বিবেচনায়, যদি প্রতিষ্ঠানগুলো এখনই সঠিক প্রযুক্তি গ্রহণে উদ্যোগ না নেয় এবং সাইবার নিরাপত্তার প্রতি গুরুত্ব না দেয়, তবে তারা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাবে, আর্থিক ক্ষতি বাড়বে এবং কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আইটি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন প্রযুক্তি নির্ভর এবং কার্যকর আইটি ব্যবস্থাপনা ও সাইবার নিরাপত্তা গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিতে হবে। প্রফেসর ড. আবু সাইদ-এর মতো অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক মানের আইটি বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা এই প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে।

বাংলাদেশের ব্যবসায়িক খাতের জন্য সঠিক আইটি ব্যবহার, অভিজ্ঞ পরামর্শ গ্রহণ, আধুনিক প্রযুক্তি অবকাঠামো ও সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আর সময় নষ্ট করার বিষয় নয়। এটি কেবল প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সঞ্চয় নিশ্চিত করবে না, বরং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্থান তৈরি করবে এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের ৩০-৪০% প্রতিষ্ঠান ভুল আইটি ব্যবস্থাপনায় ও সাইবার ঝুঁকিতে নিমজ্জিত!

ভুল আইটি ব্যবস্থাপনায় পিছিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসা খাত

বাংলাদেশের ৩০-৪০% প্রতিষ্ঠান ভুল আইটি ব্যবস্থাপনায় ও সাইবার ঝুঁকিতে নিমজ্জিত!

আপডেট সময় ০৩:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশ্ব দ্রুত এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশের বহু প্রতিষ্ঠান এখনও আধুনিক আইটি ব্যবস্থাপনায় পিছিয়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কোম্পানি ভুল আইটি অ্যাপ্লিকেশন, টুলস, জনবল ও অবকাঠামো ব্যবহার করছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো একদিকে যেমন কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে, অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় খাতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে।

সম্প্রতি করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী, ব্যাংকিং খাতের প্রায় ৪৫%, উৎপাদন খাতের ৪০% এবং শিক্ষাখাতের ৩৫% প্রতিষ্ঠান সঠিক আইটি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারছে না। ফলে প্রতিটি খাতে বছরে কোটি কোটি টাকা অপ্রয়োজনীয় খরচ হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও পরিকল্পনার অভাবে অনেক প্রতিষ্ঠান আজও ক্ষতির মুখে পড়ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করলেও ভুল সফটওয়্যার, অকার্যকর টুলস এবং অদক্ষ জনবল ব্যবহারের কারণে প্রত্যাশিত ফলাফল পাচ্ছে না। এর প্রভাব পড়ছে সামগ্রিক ব্যবসায়িক উৎপাদনশীলতা, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থানের ওপর।

আন্তর্জাতিক তুলনায় দেখা গেছে, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি বছরে তাদের আইটি খাতে ২০-৩০% বেশি বিনিয়োগ করছে এবং সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে তাদের উৎপাদনশীলতা ও খরচ ব্যবস্থাপনা অনেক বেশি কার্যকর। তুলনামূলকভাবে, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পিছিয়ে রয়েছে, যা তাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম সিনিয়র আইটি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর আবু সাইদ, যিনি ১৯৯৩ সাল থেকে তথ্য প্রযুক্তির সাথে জড়িত, মনে করেন, দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো এখন জরুরি ভিত্তিতে সঠিক আইটি পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনার দিকে নজর দেওয়ার প্রয়োজন। তিনি এ বিষয়ে বিনা খরচে পরামর্শ দিতে প্রস্তুত।

প্রফেসর আবু সাইদ আরও বলেন, সঠিক আইটি নীতিমালা গ্রহণ এবং আধুনিক অবকাঠামো ব্যবহার করলে প্রতিষ্ঠানগুলো অল্প সময়ের মধ্যে খরচ কমানো, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক মানে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ তৈরি করতে পারবে।

একটি বড় উদ্বেগ এখন সাইবার নিরাপত্তা। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই কয়েকটি বড় সাইবার ঘটনার মুখোমুখি হয়েছে, যা দুর্বল আইটি ব্যবস্থাপনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। যেমন, Bangladesh Bank Cyber Heist-এ প্রায় ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি হয়ে যায়, যেখানে নিরাপত্তা দুর্বলতা ও সিস্টেম কনফিগারেশনের ত্রুটি বড় ভূমিকা রেখেছিল।

এছাড়াও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়া, ডেটাবেজ লিক এবং ই-কমার্স ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালে একাধিক প্ল্যাটফর্মে লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনা দেশের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা স্পষ্ট করে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ঘটনার পেছনে অন্যতম বড় কারণ হলো অনেক প্রতিষ্ঠান এখনও সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ জনবল নিয়োগে যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে না। খরচ কমানোর জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান আলাদা সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ না দিয়ে সাধারণ আইটি স্টাফ দিয়েই নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা চালানোর চেষ্টা করছে।

এর ফলে সিস্টেম কনফিগারেশন, ঝুঁকি বিশ্লেষণ, থ্রেট মনিটরিং এবং ডেটা সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে কোনো নিয়মিত সিকিউরিটি অডিট, পেনিট্রেশন টেস্টিং বা রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থা থাকে না, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষ সাইবার সিকিউরিটি জনবল ছাড়া আধুনিক আইটি অবকাঠামো কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান অজান্তেই বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে কাজ করছে।

ভবিষ্যতের প্রভাব বিবেচনায়, যদি প্রতিষ্ঠানগুলো এখনই সঠিক প্রযুক্তি গ্রহণে উদ্যোগ না নেয় এবং সাইবার নিরাপত্তার প্রতি গুরুত্ব না দেয়, তবে তারা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাবে, আর্থিক ক্ষতি বাড়বে এবং কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আইটি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন প্রযুক্তি নির্ভর এবং কার্যকর আইটি ব্যবস্থাপনা ও সাইবার নিরাপত্তা গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিতে হবে। প্রফেসর ড. আবু সাইদ-এর মতো অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক মানের আইটি বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা এই প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে।

বাংলাদেশের ব্যবসায়িক খাতের জন্য সঠিক আইটি ব্যবহার, অভিজ্ঞ পরামর্শ গ্রহণ, আধুনিক প্রযুক্তি অবকাঠামো ও সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আর সময় নষ্ট করার বিষয় নয়। এটি কেবল প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সঞ্চয় নিশ্চিত করবে না, বরং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্থান তৈরি করবে এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যাবে।