ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি বেকার তৈরির কারখানা? বাংলাদেশের ৩০-৪০% প্রতিষ্ঠান ভুল আইটি ব্যবস্থাপনায় ও সাইবার ঝুঁকিতে নিমজ্জিত! শুধু ডিগ্রি নয়, দক্ষতাই নির্ধারণ করবে AI যুগের চাকরির ভবিষ্যৎ। সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী গ্রেফতার, কারাগারে প্রেরণ শনির আখড়ায় মশা নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অবহেলা অব্যাহত। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ঢাকায় আরও ২০ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন, বিশ্ব অর্থনীতিতে সংকটের আশঙ্কা মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ ঈদে টানা ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা শাহাদাত বরণ করেছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

বিএনপি নেতার প্রটোকল ব্যবহার করে ভারতে পালিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা!

বিএনপি নেতার সহায়তায় ভারতে পালালেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও একাধিক মামলার আসামি আনিচুর রহমান মিঠু মালিথা ভারতে পালিয়ে গেছেন। অভিযোগ উঠেছে, পালিয়ে যাওয়ার আগে তিনি মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়ার আশ্রয়ে ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক ছিলেন মিঠু মালিথা। তার বিরুদ্ধে ঝিনাইদহে জেলা বিএনপির কার্যালয় ও বিএনপি নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্যও দিচ্ছিলেন।

সম্প্রতি, মিঠু মালিথা মহেশপুরে বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন। গত শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি মহেশপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা ওই বাড়ি ঘিরে ফেললে বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া সেখানে উপস্থিত হয়ে মিঠুকে উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুলিশে সোপর্দ করার আশ্বাস দিলেও পরে মিঠু মালিথাকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাঠিয়ে দেন জিয়াউর রহমান। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “মিঠু মালিথার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে ঠিকই, তবে তাকে পালাতে কোনো সহায়তা করিনি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

মহেশপুর থানার ওসি ফয়েজ উদ্দিন মৃধা বলেন, “মিঠু মালিথার অবস্থানের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। কে বা কারা তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ বলেন, “একজন মামলার আসামিকে পালাতে সহায়তা করাও অপরাধ। দলীয়ভাবে বিষয়টি তদন্ত করা হবে, এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Al Mamun

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি বেকার তৈরির কারখানা?

বিএনপি নেতার প্রটোকল ব্যবহার করে ভারতে পালিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা!

আপডেট সময় ০৩:৫২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

বিএনপি নেতার সহায়তায় ভারতে পালালেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও একাধিক মামলার আসামি আনিচুর রহমান মিঠু মালিথা ভারতে পালিয়ে গেছেন। অভিযোগ উঠেছে, পালিয়ে যাওয়ার আগে তিনি মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়ার আশ্রয়ে ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক ছিলেন মিঠু মালিথা। তার বিরুদ্ধে ঝিনাইদহে জেলা বিএনপির কার্যালয় ও বিএনপি নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্যও দিচ্ছিলেন।

সম্প্রতি, মিঠু মালিথা মহেশপুরে বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন। গত শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি মহেশপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা ওই বাড়ি ঘিরে ফেললে বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া সেখানে উপস্থিত হয়ে মিঠুকে উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুলিশে সোপর্দ করার আশ্বাস দিলেও পরে মিঠু মালিথাকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাঠিয়ে দেন জিয়াউর রহমান। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “মিঠু মালিথার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে ঠিকই, তবে তাকে পালাতে কোনো সহায়তা করিনি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

মহেশপুর থানার ওসি ফয়েজ উদ্দিন মৃধা বলেন, “মিঠু মালিথার অবস্থানের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। কে বা কারা তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ বলেন, “একজন মামলার আসামিকে পালাতে সহায়তা করাও অপরাধ। দলীয়ভাবে বিষয়টি তদন্ত করা হবে, এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”