ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাস দুর্ঘটনায় মহেশপুরে আহত ৫ মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত বিএনপির সুযোগ, সম্ভাবনা ও নেতৃত্বের ব্যর্থতা সিলেট-চট্টগ্রামে কেএফসি-বাটা-পিৎজা হাটে হামলা ও লুটপাট: বিনিয়োগ সম্মেলনের মাঝেই উদ্বেগে ব্যবসায়ীরা ঈদুল ফিতরে রাজধানীতে ঐতিহ্যের ঝলক, আলোচনায় নাসিরুদ্দিন হোজ্জার পাপেট বাংলাদেশের সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে যা বলল মার্কিন প্রতিবেদন পারিবারিক বিরোধে নিহত জাফর আলী: অভিযুক্ত খালাতো ভাই আব্বাস আলী মহেশপুরে জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ মার্কিন বাজারে ঝড় তুলেছে চীনা এআই কোম্পানি ডিপসিক জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কি বলছে নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি?

বিএনপি নেতার প্রটোকল ব্যবহার করে ভারতে পালিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা!

বিএনপি নেতার সহায়তায় ভারতে পালালেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও একাধিক মামলার আসামি আনিচুর রহমান মিঠু মালিথা ভারতে পালিয়ে গেছেন। অভিযোগ উঠেছে, পালিয়ে যাওয়ার আগে তিনি মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়ার আশ্রয়ে ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক ছিলেন মিঠু মালিথা। তার বিরুদ্ধে ঝিনাইদহে জেলা বিএনপির কার্যালয় ও বিএনপি নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্যও দিচ্ছিলেন।

সম্প্রতি, মিঠু মালিথা মহেশপুরে বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন। গত শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি মহেশপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা ওই বাড়ি ঘিরে ফেললে বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া সেখানে উপস্থিত হয়ে মিঠুকে উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুলিশে সোপর্দ করার আশ্বাস দিলেও পরে মিঠু মালিথাকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাঠিয়ে দেন জিয়াউর রহমান। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “মিঠু মালিথার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে ঠিকই, তবে তাকে পালাতে কোনো সহায়তা করিনি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

মহেশপুর থানার ওসি ফয়েজ উদ্দিন মৃধা বলেন, “মিঠু মালিথার অবস্থানের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। কে বা কারা তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ বলেন, “একজন মামলার আসামিকে পালাতে সহায়তা করাও অপরাধ। দলীয়ভাবে বিষয়টি তদন্ত করা হবে, এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Al Mamun

জনপ্রিয় সংবাদ

বাস দুর্ঘটনায় মহেশপুরে আহত ৫

বিএনপি নেতার প্রটোকল ব্যবহার করে ভারতে পালিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা!

আপডেট সময় ০৩:৫২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

বিএনপি নেতার সহায়তায় ভারতে পালালেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও একাধিক মামলার আসামি আনিচুর রহমান মিঠু মালিথা ভারতে পালিয়ে গেছেন। অভিযোগ উঠেছে, পালিয়ে যাওয়ার আগে তিনি মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়ার আশ্রয়ে ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক ছিলেন মিঠু মালিথা। তার বিরুদ্ধে ঝিনাইদহে জেলা বিএনপির কার্যালয় ও বিএনপি নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্যও দিচ্ছিলেন।

সম্প্রতি, মিঠু মালিথা মহেশপুরে বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন। গত শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি মহেশপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা ওই বাড়ি ঘিরে ফেললে বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া সেখানে উপস্থিত হয়ে মিঠুকে উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুলিশে সোপর্দ করার আশ্বাস দিলেও পরে মিঠু মালিথাকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাঠিয়ে দেন জিয়াউর রহমান। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “মিঠু মালিথার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে ঠিকই, তবে তাকে পালাতে কোনো সহায়তা করিনি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

মহেশপুর থানার ওসি ফয়েজ উদ্দিন মৃধা বলেন, “মিঠু মালিথার অবস্থানের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। কে বা কারা তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ বলেন, “একজন মামলার আসামিকে পালাতে সহায়তা করাও অপরাধ। দলীয়ভাবে বিষয়টি তদন্ত করা হবে, এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”