ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে যা বলল মার্কিন প্রতিবেদন

  • Md Nasim
  • আপডেট সময় ০১:৫৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সংস্থা, কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডমের (USCIRF) ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বেড়েছে, বিশেষত জুলাই মাসের গণ অভ্যুত্থানের পর, যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। এর ফলে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং তাদের মন্দিরগুলোর ওপর আক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে, এমন দাবি করা হয়েছে বিভিন্ন সংখ্যালঘু সংগঠনের পক্ষ থেকে।

এদিকে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিবেদনটিকে অস্বীকার করে জানিয়েছে, মার্কিন রিপোর্টে দেয়া তথ্য সত্য নয়। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনার কোনো প্রমাণ নেই।

তবে মার্কিন প্রতিবেদনটি উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশ সরকারের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তাদের অবস্থার উন্নতি হয়নি, বরং পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হয়ে উঠেছে। যদিও প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশকে ‘বিশেষ উদ্বেগের’ দেশগুলোর তালিকায় রাখা হয়নি, কিন্তু প্রতিবেদনটি দেশগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানোর জন্য কিছু সুপারিশ করেছে, যা বাস্তবায়ন করতে মার্কিন সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।

প্রতিবেদনটি আরও বলছে, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমারসহ অন্যান্য দেশগুলোর পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষভাবে উদ্বেগ রয়েছে, এবং সেখানে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধের জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Md. Nasim

শুধু ডিগ্রি নয়, দক্ষতাই নির্ধারণ করবে AI যুগের চাকরির ভবিষ্যৎ।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে যা বলল মার্কিন প্রতিবেদন

আপডেট সময় ০১:৫৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সংস্থা, কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডমের (USCIRF) ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বেড়েছে, বিশেষত জুলাই মাসের গণ অভ্যুত্থানের পর, যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। এর ফলে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং তাদের মন্দিরগুলোর ওপর আক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে, এমন দাবি করা হয়েছে বিভিন্ন সংখ্যালঘু সংগঠনের পক্ষ থেকে।

এদিকে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিবেদনটিকে অস্বীকার করে জানিয়েছে, মার্কিন রিপোর্টে দেয়া তথ্য সত্য নয়। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনার কোনো প্রমাণ নেই।

তবে মার্কিন প্রতিবেদনটি উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশ সরকারের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তাদের অবস্থার উন্নতি হয়নি, বরং পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হয়ে উঠেছে। যদিও প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশকে ‘বিশেষ উদ্বেগের’ দেশগুলোর তালিকায় রাখা হয়নি, কিন্তু প্রতিবেদনটি দেশগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানোর জন্য কিছু সুপারিশ করেছে, যা বাস্তবায়ন করতে মার্কিন সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।

প্রতিবেদনটি আরও বলছে, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমারসহ অন্যান্য দেশগুলোর পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষভাবে উদ্বেগ রয়েছে, এবং সেখানে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধের জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।