ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাস দুর্ঘটনায় মহেশপুরে আহত ৫ মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত বিএনপির সুযোগ, সম্ভাবনা ও নেতৃত্বের ব্যর্থতা সিলেট-চট্টগ্রামে কেএফসি-বাটা-পিৎজা হাটে হামলা ও লুটপাট: বিনিয়োগ সম্মেলনের মাঝেই উদ্বেগে ব্যবসায়ীরা ঈদুল ফিতরে রাজধানীতে ঐতিহ্যের ঝলক, আলোচনায় নাসিরুদ্দিন হোজ্জার পাপেট বাংলাদেশের সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে যা বলল মার্কিন প্রতিবেদন পারিবারিক বিরোধে নিহত জাফর আলী: অভিযুক্ত খালাতো ভাই আব্বাস আলী মহেশপুরে জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ মার্কিন বাজারে ঝড় তুলেছে চীনা এআই কোম্পানি ডিপসিক জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কি বলছে নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি?

বাংলাদেশে গত জুলাই-অগাস্টে সহিংসতায় নিহত ১৪০০, নেতৃত্ব দেন হাসিনা : জাতিসংঘ

  • মোহাম্মদ নাসিম
  • আপডেট সময় ০৫:১৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে গত বছরের জুলাই-অগাস্ট মাসে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৪০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) প্রকাশিত এক তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই রাইফেল ও শটগানের গুলিতে মারা গেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সময় নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাদের নির্দেশেই বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সহিংসতার সময় আরও কয়েক হাজার মানুষ গুরুতর আহত হন। এছাড়া, পুলিশ ও র‍্যাবের তথ্য অনুসারে, ওই দুই মাসে ১১ হাজার ৭০০ জনকে আটক করা হয়েছিল।

নিহতদের মধ্যে ১২-১৩ শতাংশ শিশু ছিল বলে জানিয়েছে ওএইচসিএইচআর। প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা শিশুদের টার্গেট কিলিং ও পঙ্গু করার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

ওএইচসিএইচআর-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময় বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পদ্ধতিগত ও সংগঠিতভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অংশ হয়ে উঠেছিল।

এই পরিস্থিতিতে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর আরও স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়। একই সঙ্গে, সংস্থাটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ না করার পরামর্শ দিয়েছে।

এছাড়া, প্রতিবেদনে র‍্যাব বিলুপ্ত করার পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর কর্মপরিধি নির্দিষ্ট করার সুপারিশ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সময় দুপুরে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমন্ত্রণে ওএইচসিএইচআর সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে বলে জানানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Md. Nasim

জনপ্রিয় সংবাদ

বাস দুর্ঘটনায় মহেশপুরে আহত ৫

বাংলাদেশে গত জুলাই-অগাস্টে সহিংসতায় নিহত ১৪০০, নেতৃত্ব দেন হাসিনা : জাতিসংঘ

আপডেট সময় ০৫:১৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশে গত বছরের জুলাই-অগাস্ট মাসে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৪০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) প্রকাশিত এক তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই রাইফেল ও শটগানের গুলিতে মারা গেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সময় নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাদের নির্দেশেই বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সহিংসতার সময় আরও কয়েক হাজার মানুষ গুরুতর আহত হন। এছাড়া, পুলিশ ও র‍্যাবের তথ্য অনুসারে, ওই দুই মাসে ১১ হাজার ৭০০ জনকে আটক করা হয়েছিল।

নিহতদের মধ্যে ১২-১৩ শতাংশ শিশু ছিল বলে জানিয়েছে ওএইচসিএইচআর। প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা শিশুদের টার্গেট কিলিং ও পঙ্গু করার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

ওএইচসিএইচআর-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময় বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পদ্ধতিগত ও সংগঠিতভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অংশ হয়ে উঠেছিল।

এই পরিস্থিতিতে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর আরও স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়। একই সঙ্গে, সংস্থাটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ না করার পরামর্শ দিয়েছে।

এছাড়া, প্রতিবেদনে র‍্যাব বিলুপ্ত করার পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর কর্মপরিধি নির্দিষ্ট করার সুপারিশ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সময় দুপুরে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমন্ত্রণে ওএইচসিএইচআর সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে বলে জানানো হয়।