সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে গোপন বন্দিশালায় শত শত বন্দির সঙ্গে দুগ্ধপোষ্য শিশুদেরও আটকে রাখা হয়েছিল। জোরপূর্বক গুমের তদন্তকারীদের একটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে। তুর্কি সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানায়, তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্তত অর্ধ ডজন শিশু তাদের মায়েদের সঙ্গে কারাগারের অন্ধকারে দিন কাটিয়েছে। মায়েদের মানসিকভাবে চাপে রাখতে তাদের শিশুদের দুধ পান থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে।
২০২৩ সালে ঘটে যাওয়া এমন একাধিক ঘটনার মধ্যে এক গর্ভবতী নারীর সঙ্গে তার দুই শিশুকেও গোপন বন্দিশালায় আটক রাখা হয়। তদন্তকারীরা বলেছেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিরাপত্তা বাহিনী র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সঙ্গে এসব গুমের সম্পর্ক রয়েছে। এখনও প্রায় ২০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। হাসিনার শাসনামলে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে।
তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্দি নারীদের শিশুসন্তানদের ওপর চালানো মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো। এমনকি বন্দিদের পরিবারগুলোকে বিভ্রান্ত করতে হাসিনার সরকার দাবি করেছিল, নিখোঁজ ব্যক্তিরা ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা গেছেন।
প্রভাতের পাতা ডেস্ক 










