ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণে ১৫ জন দগ্ধ

  • Md Nasim
  • আপডেট সময় ১১:৩৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে একটি গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণের পর প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে আশপাশের ঘরবাড়ি পুড়ে যায় এবং অন্তত ১৫ জন দগ্ধ হন। একটি গ্যারেজে থাকা প্রায় ৩০টি এসি গাড়িও আগুনে পুড়ে গেছে।

বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে পাম্পটিতে প্রথমে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত দুইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

স্থানীয়রা জানান, কলাতলীর হোটেল-মোটেল জোনের পূর্ব পাশে সম্প্রতি চালু হওয়া এন আলম এলপিজি গ্যাস পাম্পে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে প্রথমে আগুন লাগে। কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন এবং তা সাময়িকভাবে নেভাতেও সক্ষম হন। তবে পরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হলে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের নয়টি ইউনিটের যৌথ প্রচেষ্টায় দীর্ঘ সময় পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দগ্ধ ১২ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৯ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Md. Nasim

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণে ১৫ জন দগ্ধ

আপডেট সময় ১১:৩৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে একটি গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণের পর প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে আশপাশের ঘরবাড়ি পুড়ে যায় এবং অন্তত ১৫ জন দগ্ধ হন। একটি গ্যারেজে থাকা প্রায় ৩০টি এসি গাড়িও আগুনে পুড়ে গেছে।

বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে পাম্পটিতে প্রথমে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত দুইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

স্থানীয়রা জানান, কলাতলীর হোটেল-মোটেল জোনের পূর্ব পাশে সম্প্রতি চালু হওয়া এন আলম এলপিজি গ্যাস পাম্পে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে প্রথমে আগুন লাগে। কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন এবং তা সাময়িকভাবে নেভাতেও সক্ষম হন। তবে পরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হলে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের নয়টি ইউনিটের যৌথ প্রচেষ্টায় দীর্ঘ সময় পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দগ্ধ ১২ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৯ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।