ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতীয় সীমান্তে নষ্ট হচ্ছে ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ, বিক্রি নেমে কেজিতে ২ রুপি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে শুরু ‘ডিআইইউ জব উৎসব ২০২৫’, অংশ নিচ্ছে ১৫০’র বেশি প্রতিষ্ঠান ইস্পাহানি–প্রথম আলো ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রাণবন্ত ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ স্বজন হারানোর বেদনায় সংবাদ সম্মেলনে আবেগে ভেঙে পড়েছিলেন খালেদা জিয়া ক্ষমতা বা পদলাভের লক্ষ্যে কারও সঙ্গে কোনো ধরনের আপস হবে না: নাহিদ ইসলাম ঢাকায় বারবার ভূমিকম্প উদ্বেগ–উৎকণ্ঠায় নগরবাসী আমজনতার দলের নিবন্ধন যাচাইয়ের আহ্বান ইশরাক হোসেনের জাতীয় নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় বিএনপির ফাঁকা ৬৩ আসন, জোটের প্রার্থীদের নিয়েই জল্পনা ফেনী-১, দিনাজপুর-৩ ও বগুড়া-৭ আসন থেকে লড়বেন খালেদা জিয়া বিএনপির ২৩৭ প্রার্থীর প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ, তিন আসনে খালেদা জিয়া, প্রথমবার নির্বাচনে তারেক রহমান

জাতীয় নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় বিএনপির ফাঁকা ৬৩ আসন, জোটের প্রার্থীদের নিয়েই জল্পনা

  • Md Nasim
  • আপডেট সময় ১০:০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭ আসনে নিজেদের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিএনপি। তবে এখনো ৬৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি দলটি। অনেক জেলা ও একাধিক আসনে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি যেসব আসন ফাঁকা রেখেছে তার বড় একটি অংশ শরীক বা মিত্র দলগুলোর জন্য বরাদ্দ রাখা হতে পারে। সোমবার রাতে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলনে ছিলেন, যেসব আসনে তারা আগ্রহী, সেসব আসনে আমরা প্রার্থী দিইনি। তারা নাম ঘোষণা করলে আমরা চূড়ান্ত করব।”

তবে সব ফাঁকা আসন যে জোটের প্রার্থীদের জন্যই রাখা হয়েছে, এমন নিশ্চয়তা এখনো নেই। ইতিমধ্যে কয়েকটি আসনে বিএনপির ‘গ্রিন সিগন্যাল’ পাওয়া শরীক দলের নেতারা প্রচারণায় নেমে পড়েছেন।

ঢাকা-১৩ আসনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বিএনপির মৌখিক অনুমতি পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। জোটের ঘোষণা এলে প্রার্থীতাও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এরই মধ্যে আমি এলাকায় কাজ শুরু করেছি।”

অন্যদিকে, গুলশান-বনানী কেন্দ্রিক ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির শরীক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির আন্দালিব রহমান পার্থ ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

ঢাকার বাইরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী বিএনপির জোট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। যদিও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের একাংশ তার বিরোধিতা করছে।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক বিএনপির সমর্থন পেতে পারেন। এছাড়া বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপির চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র সাহাদাত হোসেন সেলিম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা এবং ঝালকাঠি-১ আসনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বিএনপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করতে পারেন।

বিএনপি ও এর শরীক দলগুলোর নেতারা বলছেন, যেসব আসনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি, তার বেশিরভাগই জোটভুক্ত দলগুলোর জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জোটের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Md. Nasim

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় সীমান্তে নষ্ট হচ্ছে ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ, বিক্রি নেমে কেজিতে ২ রুপি

জাতীয় নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় বিএনপির ফাঁকা ৬৩ আসন, জোটের প্রার্থীদের নিয়েই জল্পনা

আপডেট সময় ১০:০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭ আসনে নিজেদের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিএনপি। তবে এখনো ৬৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি দলটি। অনেক জেলা ও একাধিক আসনে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি যেসব আসন ফাঁকা রেখেছে তার বড় একটি অংশ শরীক বা মিত্র দলগুলোর জন্য বরাদ্দ রাখা হতে পারে। সোমবার রাতে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলনে ছিলেন, যেসব আসনে তারা আগ্রহী, সেসব আসনে আমরা প্রার্থী দিইনি। তারা নাম ঘোষণা করলে আমরা চূড়ান্ত করব।”

তবে সব ফাঁকা আসন যে জোটের প্রার্থীদের জন্যই রাখা হয়েছে, এমন নিশ্চয়তা এখনো নেই। ইতিমধ্যে কয়েকটি আসনে বিএনপির ‘গ্রিন সিগন্যাল’ পাওয়া শরীক দলের নেতারা প্রচারণায় নেমে পড়েছেন।

ঢাকা-১৩ আসনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বিএনপির মৌখিক অনুমতি পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। জোটের ঘোষণা এলে প্রার্থীতাও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এরই মধ্যে আমি এলাকায় কাজ শুরু করেছি।”

অন্যদিকে, গুলশান-বনানী কেন্দ্রিক ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির শরীক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির আন্দালিব রহমান পার্থ ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

ঢাকার বাইরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী বিএনপির জোট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। যদিও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের একাংশ তার বিরোধিতা করছে।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক বিএনপির সমর্থন পেতে পারেন। এছাড়া বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপির চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র সাহাদাত হোসেন সেলিম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা এবং ঝালকাঠি-১ আসনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বিএনপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করতে পারেন।

বিএনপি ও এর শরীক দলগুলোর নেতারা বলছেন, যেসব আসনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি, তার বেশিরভাগই জোটভুক্ত দলগুলোর জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জোটের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।