সোনির আখড়া এবং আশপাশের এলাকায় চিকুনগুনিয়া মহামারির ভয়াবহতা দিন দিন বেড়ে চলেছে। মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে রোড-৪, জিয়া সরণির আব্দুল হালিম খানের ২৪ বছর বয়সী কন্যা সোমাইয়া খানের মৃত্যু হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদাসীনতার কারণেই এই পরিস্থিতি আরও গুরুতর রূপ নিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, গত ছয় মাসে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধনের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর মতো রোগ প্রতিরোধে মশা নিধনের জন্য নিয়মিত ফগিং বা স্প্রে করার কথা থাকলেও তা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এর ফলে সোনির আখড়া, পলাশপুরসহ আশপাশের এলাকায় প্রায় প্রতিটি পরিবার মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, চিকুনগুনিয়ার কারণে অনেকেই উচ্চ জ্বর, জয়েন্টে তীব্র ব্যথা এবং দুর্বলতায় ভুগছেন। চিকিৎসার খরচ বহন করা অনেকের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিস্ক্রিয়তা এবং অবহেলা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর একাংশ বলেন, “আমরা বারবার সিটি করপোরেশনকে এ বিষয়ে অবহিত করেছি। কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। ফগিং গাড়ি ছয় মাস ধরে দেখা যায় না। আমাদের জীবন যেন তাদের কাছে কোনো গুরুত্বই পায় না।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক সময়ে মশা নিধনের পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। চিকুনগুনিয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়ার মতো রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে।
এলাকাবাসী দ্রুত মশা নিধন কার্যক্রম পুনরায় চালু করার এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রভাতের পাতা ডেস্ক 










