ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

  • Md Nasim
  • আপডেট সময় ০৬:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচারের অভিযোগে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এবং এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড ও শেলটেক গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা কুতুবউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংস্থার একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক কর্মকর্তা থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক হওয়া কুতুবউদ্দিন গত ১৫ বছরে অস্বাভাবিক হারে সম্পদ বৃদ্ধি করেছেন। তিনি গড়ে তুলেছেন ৩০টির বেশি প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে রয়েছে হাউজিং কোম্পানি, টেক্সটাইল, এবং সিরামিক খাত।

বিশেষভাবে আলোচিত শেলটেক গ্রুপ, যা কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার অভিযোগে রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, পুলিশ, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা, এনবিআরসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তার কালো টাকা সাদা করতে এই প্রতিষ্ঠান কাজ করেছে।

ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোর জমি, ফ্ল্যাট বা ফ্লোর স্পেসের মূল্য দলিলে কম দেখিয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। শেলটেকের কর্মীদের মাধ্যমে ক্রেতাদের প্রকৃত বিনিয়োগ গোপন করার নানা কৌশল শেখানো হয়। এতে ক্রেতারা তাদের আয়কর নথিতে নামমাত্র মূল্য দেখিয়ে প্রকৃত মূল্য লুকানোর সুযোগ পান।

দুদক সূত্র জানায়, কুতুবউদ্দিনের এই অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রচুর কালো টাকা বৈধ করার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত এগিয়ে নিতে শিগগিরই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

এই ঘটনা দেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Md. Nasim

শুধু ডিগ্রি নয়, দক্ষতাই নির্ধারণ করবে AI যুগের চাকরির ভবিষ্যৎ।

বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

আপডেট সময় ০৬:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫

অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচারের অভিযোগে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এবং এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড ও শেলটেক গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা কুতুবউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংস্থার একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক কর্মকর্তা থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক হওয়া কুতুবউদ্দিন গত ১৫ বছরে অস্বাভাবিক হারে সম্পদ বৃদ্ধি করেছেন। তিনি গড়ে তুলেছেন ৩০টির বেশি প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে রয়েছে হাউজিং কোম্পানি, টেক্সটাইল, এবং সিরামিক খাত।

বিশেষভাবে আলোচিত শেলটেক গ্রুপ, যা কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার অভিযোগে রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, পুলিশ, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা, এনবিআরসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তার কালো টাকা সাদা করতে এই প্রতিষ্ঠান কাজ করেছে।

ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোর জমি, ফ্ল্যাট বা ফ্লোর স্পেসের মূল্য দলিলে কম দেখিয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। শেলটেকের কর্মীদের মাধ্যমে ক্রেতাদের প্রকৃত বিনিয়োগ গোপন করার নানা কৌশল শেখানো হয়। এতে ক্রেতারা তাদের আয়কর নথিতে নামমাত্র মূল্য দেখিয়ে প্রকৃত মূল্য লুকানোর সুযোগ পান।

দুদক সূত্র জানায়, কুতুবউদ্দিনের এই অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রচুর কালো টাকা বৈধ করার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত এগিয়ে নিতে শিগগিরই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

এই ঘটনা দেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।