মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানি বাহিনী দাবি করেছে, তারা বাহরাইন-এ অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের নৌঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খবর BBC।
রাষ্ট্রায়ত্ত Bahrain News Agency-কে উদ্ধৃত করে দেশটির ন্যাশনাল কমিউনিকেশন সেন্টার জানায়, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সার্ভিস সেন্টার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। তবে কারা হামলা চালিয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
বাহরাইনেই মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর অবস্থিত। পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর, আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরের কিছু অংশজুড়ে এ নৌবহর কাজ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, রাজধানী মানামা-য় নৌবহরের সদর দপ্তরের কাছাকাছি এলাকা থেকে কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, “ট্রুথফুল প্রমিজ ৪” অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন ঘাঁটি ও সম্পদ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাব হিসেবেই এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
এ সময়ের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি জনগণকে দেশটির শাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কাতার জানায়, দোহায় অবস্থিত আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি-কে লক্ষ্য করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত নিজ নিজ আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের কথা জানিয়েছে।
এদিকে ইসরাইল-এ সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতায় দেশজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে। পরিস্থিতি ঘিরে পুরো অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
Md Nasim 








